[Urbano] [Entretenimento] [Renascimento] [Estilo de Hong Kong] O mais forte dos guarda-costas tem sua alma transportada para a era dourada do cinema de Hong Kong! Ele domina as ondas do cenário cinema
প্রথম পৃষ্ঠা
অতীতে বিশেষ বাহিনীর সৈনিক, বর্তমানে বিশ্ববিখ্যাত এক চলচ্চিত্র সংস্থার নিয়োজিত আন্তর্জাতিক স্তরের দেহরক্ষী সে। বিশ্বের শীর্ষ পরিচালক আর তারকাদের নানান গুরুত্বপূর্ণ আসরে সুরক্ষা দেওয়াই তার কাজ। পনেরো বছর ধরে একবারও ব্যর্থ হয়নি সে।
শীর্ষ দস্যু, আমেরিকান গ্যাংস্টার, এমনকি ইতালীয় মাফিয়াও তার হাত থেকে কোনো গ্রাহককে ছিনিয়ে নিতে পারেনি।
কিন্তু এমন এক মানুষ, যার জীবন যেন একেবারে শ্রেষ্ঠ যোদ্ধার কাহিনিতে লেখা, হঠাৎ হৃদ্রোগে আক্রান্ত হয়ে হৃদ্যন্ত্র থেমে মারা গেল, আর এক ঝলকে এই পৃথিবী ছেড়ে চলে গেল।
হালকা এক ধাক্কায় পড়ে গেল সে, তারপর চোখের সামনে সবকিছু ফিকে হয়ে আসতে লাগল। চোখ দুটো খোলা ছিল, তবু কিছুই স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিল না।
দৃষ্টি আবার স্বচ্ছ হয়ে উঠতেই দেখল, মাথার উপর ঝলমলে আলোর সেই ঝাড়বাতি, যার দাম ছিল পাঁচ লক্ষ মার্কিন ডলার, তা বদলে গেছে ধীরে ঘুরতে থাকা পুরোনো এক বৈদ্যুতিক পাখায়। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার স্বভাবসিদ্ধ গরম বাতাস বয়ে যাচ্ছে, বাইরে কলাগাছের পাতার ঘষাঘষির শব্দ।
সে বুঝে ওঠার আগেই কানে এল তাড়াহুড়োর গলা:
“কালো কুকুর দা, আকাশটা বোধহয়… বোধহয় আর শ্বাস নিচ্ছে না।”
কথা বলছে যে, তার মুখের ভাবই কুটিল, পাতলা গোঁফ, সোনালি ফ্রেমের চশমা—দেখলেই বোঝা যায় সোজাসাপটা লোক নয়। আর যার নাম সে বলছে, সেই “কালো কুকুর” নামটা অবশ্য কুকুরের নয়; সে একজন কালো চামড়ার মানুষ।
চেহারায় স্পষ্ট থাই দুষ্কৃতকারীর ছাপ, দাঁড়ি-গোঁফে জঙ্গলি ভাব, মুখভর্তি হিংস্রতা, আর ফাঁক করা ঠোঁটের ফাঁকে জ্বলজ্বল করছে একটি সোনালি সামনের দাঁত।
“শালা!!”
কালো কুকুর বন্দুকটা আকাশের মাথায় ঠেকিয়ে ক্রুদ্ধ গলায় বলল, “আজ এই ছবিটা ও না পারলে, তুই করবি!”
আকাশ ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে করুণ সুরে মিনতি করল, “দাদা, রাগ করবেন না! আমি পারব না। আর তাছাড়া আমি তো অভিনেতাও না,